1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : adminartigas :
  3. [email protected] : akter.panna.1 :
  4. [email protected] : Ashraful Abedin : Ashraful Abedin
  5. [email protected] : masud :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
​​অবৈধ অর্থ বা পেশীশক্তি না থাকলে রাজনীতিতে টিকে থাকার একমাত্র উপায় হলো “জনসম্পৃক্ততা ও নৈতিকতা——বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা সিরাজুল ইসলাম সরদার মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনে রেলওয়ে জেলা ডিবি টিমের বিশেষ অভিযানে রতন লাল বিশ্বাসকে ৫০ বোতল কোডিন যুক্ত সিরাপসহ গ্রেফতার ঈশ্বরদীতে বিএনপি নেত্রীর বিরুদ্ধে জমি ও দোকান দখলের চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন যে ঐক্যের মাধ্যমে ১৯৯১ সালে বিএনপির সকলস্তরের নেতাকর্মীরা ভঙ্গুর দলকে প্রতিষ্ঠা এবং নির্বাচন করে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনাকে অপসারণ করেছিল সেই ঐক্যকেই সুদৃঢ় করার আহবান জানিয়েছেন—- বিএনপির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির নেতা, সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার আদালত থেকে দেওয়া রিসিভার নিয়োগের আদেশ অমান্য করে ঈশ্বরদীর রঞ্জু সরদারের ১০ লাখ টাকার লিচু ও আম লুট ,জীবননাশের হুমকি ,পুলিশের নীরব ভ’মিকায় প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা তোয়া পার্সোনাল প্রটেকটিভ ডিভাইস বাংলাদেশ লিমিটেড দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে পাকশীতে জাঁকজমকপূর্ণ গোল্ডকাপ ফুটবল: শাহরিয়ার হাইড্রোলিককে হারিয়ে পাকশী রেলওয়ে ট্রেনিং সেন্টার চ্যাম্পিয়ন সাম্রাজ্যবাদের গর্ভে জন্ম নেয়া উগ্রজাতীয়তাবাদ প্রত্যেকটি ভাষাভাষির বর্ণ বৈষম্য সৃষ্টি করে——- বিএনপির কেন্দ্রিয়নেতা সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার। মুলাডুলি হাইস্কুলে বিষক্রিয়ায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ :হাসপাতালে ভর্তি \ অসুস্থ্যদের পাশে এমপি তালেব মন্ডল বিএনপি এখন বহিরাগত অপশক্তির হাতে জিম্মি— বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার

মুনিয়া হত্যা মামলা অন্য খাতে নেওয়ার চেষ্টা

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৫ জুন, ২০২১
  • ১৩৭৫ বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক।। গত ২৬ এপ্রিল গুলশানের একটি ফ্ল্যাটে মারা গেছেন মুনিয়া। মুনিয়ার মৃত্যুর পর তার বোন নুসরাত তানিয়া একটি আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলাটির তদন্ত চলছে। কিন্তু মামলায় যে অভিযোগ করা হয়েছে তার তথ্য প্রমাণ নেই। কিছু মন গড়া এবং কল্পনাপ্রসূত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করা হয়েছে। আর সে কারণেই মুনিয়ার মৃত্যুর মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কিছুটা সময় নিচ্ছে। আর এই সুযোগটিকে ব্যবহার করতে চাইছে বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী, দুর্নীতিবাজ এবং সরকারবিরোধী একটি অপশক্তি।

মুনিয়ার মৃত্যুকে অন্য খাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আর এখান থেকেই প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে মুনিয়ার মৃত্যুর সঙ্গে কি সরকারবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী, স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির কোনো যোগসাজস ছিল? এই ঘটনা ঘটিয়ে সরকারকে বিব্রত করা, সরকারকে চাপে ফেলার কোনো কৌশল কী ছিল? এই বিষয়টি এখন তদন্তে আসছে বলে তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গেছে। মুনিয়ার মৃত্যুর পরপরই বাংলাদেশের গণমাধ্যমে কিছু ব্যক্তি আকস্মিকভাবে এই মৃত্যুর ইস্যুকে একটি রাষ্ট্রীয় ইস্যু বানিয়ে ফেলার চেষ্টা করেছিলেন। তাদের উদ্দেশ্য কি ছিল সে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং মুনিয়ার ইস্যু নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তারা সরকারকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেন এবং সরকারকে আক্রমণ করেন। এই বক্তব্যের পরপরই বিদেশে অবস্থানরত জামায়াত-বিএনপির এবং স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি গোষ্ঠী মুনিয়ার ইস্যুটিকে লুফে নেয় এবং তারা সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছে।

প্রায় প্রতিদিনই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুনিয়ার ইস্যু নিয়ে যে সমস্ত কথাবার্তা বলা হচ্ছে সেগুলোতে কার্যত সরকারকেই কোণঠাসা করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং সরকারের সমালোচনা করা হচ্ছে। যদিও মুনিয়ার ইস্যুর সঙ্গে সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং সেই ঘটনাকে কেন এইদিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তাছাড়া মুনিয়ার ঘটনাটি এমন একটি সময় সংঘটিত হয়েছিল যে সময় সরকার হেফাজতের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছিল। বিশেষ করে মামুনুল হকের স্বেচ্ছাচারী জীবন। হেফাজতের নেতাদের দুর্নীতি-অনিয়ম ইত্যাদি নিয়ে সরকার যখন তদন্ত করছিল এবং এদের একাধিক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে তখনই মুনিয়া ইস্যু সৃষ্টির উদ্দেশ্য কি? হেফাজতের ঘটনাকে অন্যখাতে প্রবাহিত করার জন্যই কি মুনিয়ার ঘটনা ঘটানো হয়েছিল? মুনিয়ার মৃত্যুর যে সময় হয়েছে সেই সময়ে বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলো হেফাজত ইস্যুতে সরব ছিল। বিশেষ করে সর্বাধিক প্রচারিত দুটি দৈনিক হেফাজত ইস্যুতে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল। আর এই গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়গুলো সাধারণ মানুষ জানছিল। তাহলে কি জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দেওয়ার জন্যই হেফাজতের পক্ষাবলম্বনকারী কোনো গোষ্ঠী এই ইস্যুকে ফুলে ফেঁপে তুলতে চেয়েছিল? এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চেয়েছিল যে জনগণ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং সরকার হেফাজত ইস্যু নিয়ে মাথা ঘামাতে না পারে।

বিভিন্ন সূত্র বলছে যে, সরকার আইনের শাসনের বিশ্বাস করে এবং মুনিয়ার ঘটনার পরপরই এটির তদন্ত করা হচ্ছে এবং যারা অপরাধী তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। কিন্তু যাকে খুশি তাকে টার্গেট করে কাউকে ঝামেলায় ফেলার জন্য বা কাউকে কারো বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত যদি কোনো মামলা হয় সেটিও আইনের দৃষ্টিতে একটি গর্হিত কাজ এবং অপরাধ।

এখন মনে হচ্ছে যে মুনিয়ার ঘটনাটি ঘটিয়ে তাকে একটি ইস্যু বানানো এবং এই ইস্যু সৃষ্টি করে সরকারকে চাপে ফেলার ষড়যন্ত্র করেছিল একটি মহল। আর এ কারণেই দেখা যাচ্ছে যে জামায়াত-বিএনপি এবং স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি মুনিয়া ইস্যু নিয়ে এখনও মায়াকান্না করেই যাচ্ছে এবং সেই মায়াকান্নায় রসদ দিচ্ছে তার বড় বোন নুসরাত।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট