1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : adminartigas :
  3. [email protected] : akter.panna.1 :
  4. [email protected] : Ashraful Abedin : Ashraful Abedin
  5. [email protected] : masud :
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যে ঐক্যের মাধ্যমে ১৯৯১ সালে বিএনপির সকলস্তরের নেতাকর্মীরা ভঙ্গুর দলকে প্রতিষ্ঠা এবং নির্বাচন করে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনাকে অপসারণ করেছিল সেই ঐক্যকেই সুদৃঢ় করার আহবান জানিয়েছেন—- বিএনপির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির নেতা, সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার আদালত থেকে দেওয়া রিসিভার নিয়োগের আদেশ অমান্য করে ঈশ্বরদীর রঞ্জু সরদারের ১০ লাখ টাকার লিচু ও আম লুট ,জীবননাশের হুমকি ,পুলিশের নীরব ভ’মিকায় প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা তোয়া পার্সোনাল প্রটেকটিভ ডিভাইস বাংলাদেশ লিমিটেড দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে পাকশীতে জাঁকজমকপূর্ণ গোল্ডকাপ ফুটবল: শাহরিয়ার হাইড্রোলিককে হারিয়ে পাকশী রেলওয়ে ট্রেনিং সেন্টার চ্যাম্পিয়ন সাম্রাজ্যবাদের গর্ভে জন্ম নেয়া উগ্রজাতীয়তাবাদ প্রত্যেকটি ভাষাভাষির বর্ণ বৈষম্য সৃষ্টি করে——- বিএনপির কেন্দ্রিয়নেতা সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার। মুলাডুলি হাইস্কুলে বিষক্রিয়ায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ :হাসপাতালে ভর্তি \ অসুস্থ্যদের পাশে এমপি তালেব মন্ডল বিএনপি এখন বহিরাগত অপশক্তির হাতে জিম্মি— বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সকল ধর্মবর্ণের মানুষকে অধিকতর সমৃক্ত করণের মাধ্যমে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা ও ভৌগলিক জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় কাঠামো বিনির্মাণ করা হলে মানুষের মূল্যায়নের কথা বলেছেন– –বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার পাকশী ডেইরী ফার্মে দেশী,জার্সি ফিজিয়ানসহ কয়েকটি জাতের গরু পালন করে এলাকায় ব্যাপক সারা জাগিয়েছেন আবু রায়হান ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে থাকা মাদক ও মোবাইলে আসক্ত যুব সমাজকে রক্ষায় খেলাধুলার বিকল্প নেই—–জাতীয় সাংবাদিক সোসাইটির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সচিব তৌহিদ আক্তার পান্না

প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা– ঈশ্বরদীতে নদীখেকো কামাল ও মাদক সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য।। প্রশ্নের মুখে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব

  • প্রকাশিত : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬
  • ২৭৩ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার।। ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষীকুন্ডা, সাহাপুর ইউনিয়নে পদ্মার বুক চিরে চলছে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলনের মহোৎসব। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের সরাসরি মদদে এবং প্রশাসনের একটি অংশের রহস্যজনক নীরবতায় ধ্বংস হচ্ছে সরকারি সম্পদ ও পরিবেশ। শুধু নদী দখলই নয়, বাঘা-চারঘাট-কুষ্টিয়া দৌলতপুর সীমান্ত রুট দিয়ে মাদক চোরাচালানের এক অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে এই অঞ্চল, যার বিষবাষ্পে ধ্বংস হচ্ছে স্থানীয় তরুণ সমাজ।

​সরেজমিনে দেখা গেছে, লক্ষীকুন্ডা ও সাহাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে ​নদী ও পরিবেশ বিনাশী ‘মাটি সিন্ডিকেট’  এর গড ফাদার কামালের নেতৃত্বে  প্রশাসন ম্যানেজ করে দিন-রাত ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে। প্রতিদিন ১৫ -২০ ভেকু দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে। একটি ভেকু একদিনে ১০০ থেকে দেড়’শ ড্রাম ট্রাক মাটি কাটতে পারে। মাটি  খেকো কামাল ভেকু প্রতি ভেকু প্রতি ১৩ হাজার টাকা নেওয়া নিয়ে বিএনপির ঐ প্রভাবশালী নেতাকে  ভেকু প্রতি ৪ হাজার,থানা পুলিশকে ৩ হাজার,নৌ ফাঁড়ি পুলিশকে ৩ হাজার ও অন্যান্য সংস্থাকে বাকি টাকার মধ্য থেকে নিজে এবং অন্যান্য  সংস্থাকে দিয়ে থাকে।শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে অদ্যবধি এই এলাকা থেকে শুধু মাটি ও বালু লুট করে সিন্ডিকেড সদস্যরা আয় করেছে অন্তত: পাঁচ হাজার কোটি টাকা। এই টাকা থেকে বিএনপি সেজে থাকা পুলিশ সদস্যরাও নির্দিষ্ট হারে ভাগ বসিয়ে নামে বেনামে টাকা ও সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি, এই অবৈধ বাণিজ্যের নেপথ্যে রয়েছেন বর্তমান রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রভাবশালী এক নেতা ও তার শীর্ষ ব্যক্তিবর্গ। দীর্ঘদিন থেকে সরকারি আইন লঙ্ঘন করে হাজার হাজার ট্রাক মাটি বিক্রি করা হচ্ছে ইটভাটায়, যার ফলে নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়ছে ফসলি জমি ও এলাকার হাজার হাজার বসতবাড়ি। ​পরিবেশবাদীরা সতর্ক করে বলছেন, এভাবে অপরিকল্পিতভাবে মাটি উত্তোলনের ফলে ওই অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এটি শুধুমাত্র পরিবেশগত বিপর্যয় নয়, বরং রাষ্ট্রীয় সম্পদের ওপর প্রকাশ্য লুটপাট। ঈশ্বরদী এলাকায় ​মাদকের অভয়ারণ্য ও পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ​দেখা দিয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাঘা, চারঘাট,কুষ্টিয়া  ও দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে আসা মাদকের একটি বড় চালান ঈশ্বরদীর ওপর দিয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তা এই মাদক কারবারিদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করেন। ​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, “পুলিশ মাঝে মাঝে খুচরা সেবনকারীদের ধরে বাহবা নেওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু মূল ‘গডফাদার’ বা সিন্ডিকেট প্রধানদের স্পর্শও করা হয় না। বরং রাঘববোয়ালদের সাথে নিয়মিত মাসোহারা বা লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে সংশ্লিষ্ট থানার কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।” প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কঠোর হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও মাঠ পর্যায়ে এই চিত্র জননিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকিতে ফেলেছে। ​রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিবেশের। কিন্তু বিএনপির মতো বড় রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে যারা এই অপকর্ম করছে, তারা দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, যদি এখনই কেন্দ্র থেকে এই ‘অনুপ্রবেশকারী হাইব্রিড’ ও ‘সুবিধাবাদী’ নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের ত্যাগ বৃথা যাবে। ​এই অরাজক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ ও ভুক্তভোগীরা  জেলা প্রশাসক (DC) ও পুলিশ সুপার (SP)-এর সরাসরি তদারকিতে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করে অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ করা। যে সকল পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মাদক সিন্ডিকেটের সাথে সখ্যতার প্রমাণ রয়েছে, তাদের দ্রুত প্রত্যাহার ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া।  বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর বা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের মাধ্যমে অভিযুক্ত নেতাদের চিহ্নিত করে বহিষ্কার বা সাংগঠনিক শাস্তির আওতায় আনা জরুরি হয়ে পগড়ছে। ​ঈশ্বরদীকে একটি নিরাপদ ও দুর্নীতিমুক্ত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এই অশুভ চক্র ভাঙার কোনো বিকল্প নেই। প্রশাসনের নির্লিপ্ততা বজায় থাকলে সাধারণ মানুষ ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যেতে বাধ্য হবে। এদিকে বিভিন্ন কাজের চাপের মধ্যেও অভিযোগের ভিত্তিতে মাঝেমধ্যে ইউএনও এবং এসিল্যান্ড এর পক্ষ থেকে অভিযান করা  হলেও  দু’চারদিন পর রহস্যজনক কারণে আবারও  মাটিকাটা ,বালু উত্তোলন স্বাভাবিক পরিবেশে চলতে থাকে।#

 

তাং১৮/০৩/২৬

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট