1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : adminartigas :
  3. [email protected] : akter.panna.1 :
  4. [email protected] : Ashraful Abedin : Ashraful Abedin
  5. [email protected] : masud :
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের লাগানো বিএনপি নামক গাছটিকে বিয়াল্লিশ বছর ধরে পানি দিয়ে লালন পালন করে বেগম খালেদা জিয়া বড় করে সারা বিশ্বে বিএনপিকে প্রতিষ্ঠা করেছেন ——বিএনপির কেন্দ্রিয় নির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদ্বোধন উপলক্ষে ঈশ্বরদীতে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত পুলিশ সুপারের মাদকবিরোধী অভিযানের সাফল্য ও জনবল সংকটের কথা তুলে ধরলেন রাজশাহীর  সিসিএমকে স্বপরিবারে  মারধর করার প্রতিবাদে পাকশী ও রাজশাহীতে  কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিক সংগঠনের  বিভিন্ন কর্মসূচি পালন ৪৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে পুনর্নির্মিত  ঈশ্বরদী – বানেশ্বর রোডসহ ঈশ্বরদী তালতলা রোডের বেহালদশা রেলপ্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন ও বৃক্ষ রোপন করেছেন ঈশ্বরদীতে লাগামহীন চুরি বৃদ্ধিতে অতিষ্ঠ জনজীবন, পুলিশ সুপার ও ওসির জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা ​ ঈশ্বরদীতে আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল খেলা নিয়ে দুই পক্ষের উত্তেজনা-ধাক্কাধাক্কি বাংলাদেশসহ বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে গাছ লাগিয়ে অক্সিজেন ফ্যাক্টরী গড়ে তোলার বিকল্প নেই——বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার আটঘরিয়ায় বিএনপি নেতার ভাতিজাকে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করায়  বিএনপি ও অঙ্গসহযোগি সংগঠন এবং আওয়ামীলগের  মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি

প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা– ঈশ্বরদীতে নদীখেকো কামাল ও মাদক সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য।। প্রশ্নের মুখে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব

  • প্রকাশিত : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৩২৪ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার।। ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষীকুন্ডা, সাহাপুর ইউনিয়নে পদ্মার বুক চিরে চলছে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলনের মহোৎসব। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের সরাসরি মদদে এবং প্রশাসনের একটি অংশের রহস্যজনক নীরবতায় ধ্বংস হচ্ছে সরকারি সম্পদ ও পরিবেশ। শুধু নদী দখলই নয়, বাঘা-চারঘাট-কুষ্টিয়া দৌলতপুর সীমান্ত রুট দিয়ে মাদক চোরাচালানের এক অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে এই অঞ্চল, যার বিষবাষ্পে ধ্বংস হচ্ছে স্থানীয় তরুণ সমাজ।

​সরেজমিনে দেখা গেছে, লক্ষীকুন্ডা ও সাহাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে ​নদী ও পরিবেশ বিনাশী ‘মাটি সিন্ডিকেট’  এর গড ফাদার কামালের নেতৃত্বে  প্রশাসন ম্যানেজ করে দিন-রাত ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে। প্রতিদিন ১৫ -২০ ভেকু দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে। একটি ভেকু একদিনে ১০০ থেকে দেড়’শ ড্রাম ট্রাক মাটি কাটতে পারে। মাটি  খেকো কামাল ভেকু প্রতি ভেকু প্রতি ১৩ হাজার টাকা নেওয়া নিয়ে বিএনপির ঐ প্রভাবশালী নেতাকে  ভেকু প্রতি ৪ হাজার,থানা পুলিশকে ৩ হাজার,নৌ ফাঁড়ি পুলিশকে ৩ হাজার ও অন্যান্য সংস্থাকে বাকি টাকার মধ্য থেকে নিজে এবং অন্যান্য  সংস্থাকে দিয়ে থাকে।শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে অদ্যবধি এই এলাকা থেকে শুধু মাটি ও বালু লুট করে সিন্ডিকেড সদস্যরা আয় করেছে অন্তত: পাঁচ হাজার কোটি টাকা। এই টাকা থেকে বিএনপি সেজে থাকা পুলিশ সদস্যরাও নির্দিষ্ট হারে ভাগ বসিয়ে নামে বেনামে টাকা ও সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি, এই অবৈধ বাণিজ্যের নেপথ্যে রয়েছেন বর্তমান রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রভাবশালী এক নেতা ও তার শীর্ষ ব্যক্তিবর্গ। দীর্ঘদিন থেকে সরকারি আইন লঙ্ঘন করে হাজার হাজার ট্রাক মাটি বিক্রি করা হচ্ছে ইটভাটায়, যার ফলে নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়ছে ফসলি জমি ও এলাকার হাজার হাজার বসতবাড়ি। ​পরিবেশবাদীরা সতর্ক করে বলছেন, এভাবে অপরিকল্পিতভাবে মাটি উত্তোলনের ফলে ওই অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এটি শুধুমাত্র পরিবেশগত বিপর্যয় নয়, বরং রাষ্ট্রীয় সম্পদের ওপর প্রকাশ্য লুটপাট। ঈশ্বরদী এলাকায় ​মাদকের অভয়ারণ্য ও পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ​দেখা দিয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাঘা, চারঘাট,কুষ্টিয়া  ও দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে আসা মাদকের একটি বড় চালান ঈশ্বরদীর ওপর দিয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তা এই মাদক কারবারিদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করেন। ​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, “পুলিশ মাঝে মাঝে খুচরা সেবনকারীদের ধরে বাহবা নেওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু মূল ‘গডফাদার’ বা সিন্ডিকেট প্রধানদের স্পর্শও করা হয় না। বরং রাঘববোয়ালদের সাথে নিয়মিত মাসোহারা বা লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে সংশ্লিষ্ট থানার কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।” প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কঠোর হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও মাঠ পর্যায়ে এই চিত্র জননিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকিতে ফেলেছে। ​রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিবেশের। কিন্তু বিএনপির মতো বড় রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে যারা এই অপকর্ম করছে, তারা দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, যদি এখনই কেন্দ্র থেকে এই ‘অনুপ্রবেশকারী হাইব্রিড’ ও ‘সুবিধাবাদী’ নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের ত্যাগ বৃথা যাবে। ​এই অরাজক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ ও ভুক্তভোগীরা  জেলা প্রশাসক (DC) ও পুলিশ সুপার (SP)-এর সরাসরি তদারকিতে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করে অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ করা। যে সকল পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মাদক সিন্ডিকেটের সাথে সখ্যতার প্রমাণ রয়েছে, তাদের দ্রুত প্রত্যাহার ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া।  বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর বা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের মাধ্যমে অভিযুক্ত নেতাদের চিহ্নিত করে বহিষ্কার বা সাংগঠনিক শাস্তির আওতায় আনা জরুরি হয়ে পগড়ছে। ​ঈশ্বরদীকে একটি নিরাপদ ও দুর্নীতিমুক্ত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এই অশুভ চক্র ভাঙার কোনো বিকল্প নেই। প্রশাসনের নির্লিপ্ততা বজায় থাকলে সাধারণ মানুষ ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যেতে বাধ্য হবে। এদিকে বিভিন্ন কাজের চাপের মধ্যেও অভিযোগের ভিত্তিতে মাঝেমধ্যে ইউএনও এবং এসিল্যান্ড এর পক্ষ থেকে অভিযান করা  হলেও  দু’চারদিন পর রহস্যজনক কারণে আবারও  মাটিকাটা ,বালু উত্তোলন স্বাভাবিক পরিবেশে চলতে থাকে।#

 

তাং১৮/০৩/২৬

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট