
জলিলুর রহমান।। তোয়া পার্সোনাল প্রটেকটিভ ডিভাইস বাংলাদেশ লিমিটেড দীর্ঘদিন ধরে ঈশ্বরদী ইপিজেডে সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। তবে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অর্ডার কমে যাওয়ার কারণে গত কয়েক বছর ধরে কোম্পানি গুরুতর আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। বিশেষ করে ইউরোপীয় বাজারে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্রেতা হারানোর ফলে ব্যবসায়িক পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও কোম্পানি দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য সুবিধাদি নিয়মিতভাবে প্রদান করে এসেছে। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় সকল কর্মচারীকে নিয়ে একইভাবে ব্যবসা পরিচালনা অব্যাহত রাখলে পুরো কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতো, যা ভবিষ্যতে সকল শ্রমিক-কর্মচারীর চাকরি ও পাওনা পরিশোধের ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারতো। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এবং প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি টিকে থাকা নিশ্চিত করার স্বার্থে বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ এর ২২ ধারা অনুযায়ী ২১ মে ২০২৬ তারিখে ১১২ জন শ্রমিকের চাকুরির অবসানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইপিজেড ও বেপজা কর্তৃপক্ষকে যথাযথভাবে অবহিত করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী চাকুরিচ্যুত শ্রমিকদের নিম্নোক্ত সুবিধাদি প্রদান করা হয়েছে: ১২০ দিনের মূল মজুরি নোটিশ পে হিসেবে প্রযোজ্য উৎসব বোনাস মে ২০২৬ মাসের পূর্ণ বেতন প্রতি পূর্ণ বছরের চাকুরির জন্য এক মাসের মূল মজুরির সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ অব্যবহৃত ছুটির অর্থ (যদি প্রযোজ্য হয়) বকেয়া বেতন, ওভারটাইম ও অন্যান্য পাওনা প্রভিডেন্ট ফান্ড ও অন্যান্য বৈধ সুবিধা কোম্পানি স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করতে চায় যে, কোনো শ্রমিককে তার আইনানুগ পাওনা থেকে বঞ্চিত করা হয়নি এবং সকল অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে। এমতাবস্থায়, সকলকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। ধন্যবাদান্তে, তোয়া পার্সোনাল প্রটেকটিভ ডিভাইস বাংলাদেশ লিমিটেড কর্তৃপক্ষ । প্রেস বিজ্ঞপ্তি ।#
Leave a Reply