1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : adminartigas :
  3. [email protected] : akter.panna.1 :
  4. [email protected] : Ashraful Abedin : Ashraful Abedin
  5. [email protected] : masud :
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আটঘরিয়ায় বিএনপি নেতার ভাতিজাকে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করায়  বিএনপি ও অঙ্গসহযোগি সংগঠন এবং আওয়ামীলগের  মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি ​​অবৈধ অর্থ বা পেশীশক্তি না থাকলে রাজনীতিতে টিকে থাকার একমাত্র উপায় হলো “জনসম্পৃক্ততা ও নৈতিকতা——বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা সিরাজুল ইসলাম সরদার মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনে রেলওয়ে জেলা ডিবি টিমের বিশেষ অভিযানে রতন লাল বিশ্বাসকে ৫০ বোতল কোডিন যুক্ত সিরাপসহ গ্রেফতার ঈশ্বরদীতে বিএনপি নেত্রীর বিরুদ্ধে জমি ও দোকান দখলের চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন যে ঐক্যের মাধ্যমে ১৯৯১ সালে বিএনপির সকলস্তরের নেতাকর্মীরা ভঙ্গুর দলকে প্রতিষ্ঠা এবং নির্বাচন করে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনাকে অপসারণ করেছিল সেই ঐক্যকেই সুদৃঢ় করার আহবান জানিয়েছেন—- বিএনপির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির নেতা, সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার আদালত থেকে দেওয়া রিসিভার নিয়োগের আদেশ অমান্য করে ঈশ্বরদীর রঞ্জু সরদারের ১০ লাখ টাকার লিচু ও আম লুট ,জীবননাশের হুমকি ,পুলিশের নীরব ভ’মিকায় প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা তোয়া পার্সোনাল প্রটেকটিভ ডিভাইস বাংলাদেশ লিমিটেড দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে পাকশীতে জাঁকজমকপূর্ণ গোল্ডকাপ ফুটবল: শাহরিয়ার হাইড্রোলিককে হারিয়ে পাকশী রেলওয়ে ট্রেনিং সেন্টার চ্যাম্পিয়ন সাম্রাজ্যবাদের গর্ভে জন্ম নেয়া উগ্রজাতীয়তাবাদ প্রত্যেকটি ভাষাভাষির বর্ণ বৈষম্য সৃষ্টি করে——- বিএনপির কেন্দ্রিয়নেতা সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার। মুলাডুলি হাইস্কুলে বিষক্রিয়ায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ :হাসপাতালে ভর্তি \ অসুস্থ্যদের পাশে এমপি তালেব মন্ডল

নিজ স্বার্থ ও প্রতিহিংসা চরিতার্থ এবং হীন মানসিকতার নিমিত্তে দলীয় প্রার্থীকে পরাজিত করে পৈশাচিক  আনন্দ লাভের মানসিকতাকে ঘৃণা করি— বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৮৪ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি ।। নিজ স্বার্থ ও প্রতিহিংসা চরিতার্র্থ করার হীন মানসিকতার নিমিত্তে সেদিন দলীয় প্রার্থীকে পরাজিত করার মাধ্যমে পৈশাচিক  আনন্দ লাভ করেছিলেন হাবিবুর রহমান হাবিব এ হেন মানসিকতাকে আমি ঘৃণা করি বলে মন্তব্য করেছেন,বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার।আজ মঙ্গলবার বিকেলে বাঘইলস্থ নিজ বাড়ির ফুল বাগানে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হওয়া ও প্রার্থীতা প্রত্যাহার বিষয়ে আয়োজিত প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রেসব্রিফিংয়ে বিএনপির সিনিয়রনেতাদের মধ্যে আহসান হাবিব,আব্দুর রশিদ সরদার,আব্দুস সোবহান,অধ্যক্ষ আনজাম হোসেন ডন,আবু তালেব ফকির,আব্দুল মান্নান চেয়ারম্যান,রুহুল আমিন বাবলু, হুমায়ুন কবীর দুলাল,ফজলুর রহমান মাস্টার,    এটিএম,আব্দুস সাত্তার বিশ্বাস,  আব্দুল লতিফ কিরণ,হাজি আজি হক,হাজি আকমল হোসেন,হাজি আাব্দুর রশিদ,রঞ্জু হোসেন,আক্তার মল্লিক,মোহাম্মদ আলী কাজল,কবীর আহমেদ,মোস্তাফিজুর রহমান নয়নসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার আরও বলেন, দলীয় মনোময়ন প্রাপ্তির প্রত্যাশয় সরাসরি নির্বাচন কমিশনে প্রার্থীতার আবেদন করি। তেমনি দল আমাকে বিজ্ঞ বিবেচনায় মনোনিত করেন নাই।’ দল নিশ্চয় বিজ্ঞ বিবেচক।  দলের সিদ্ধান্ত আমার কাছে শীরধার্য্য।  ২০০১ সালে হাবিবুর রহমান হাবিব বিরোধিতা করে কুড়াল প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করে বিএনপিকে পরাজিত করে এবং ২০০৮ সালে সরাসরি ধানের শীষের বিরোধিতা করে নৌকার পক্ষে ভোট করে ধানের শীষের পরাজয় নিশ্চিত করেছিল। সুতরাং তার অপরাধ অনেক। এরপরও আমি বা আমদের বা বিএনপির নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে হাবিববুর রহমান নির্বাচন পরিচালনা কমিটি করেছেন। আমি ব্যথিতভাবে লক্ষ্য করলাম হাবিব সাহেব দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি করেছেন যা আমাদের দলের নেতাকর্মীদের কাছে পীড়াদায়ক ও অসম্মান জনক।

১৯৮৯ সালে কতিপয় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা আমাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার চেষ্টা করে। সে সময় বেগম খালেদা জিয়া জাহানারা বেগম ও মিজানুর রহমান মিনুকে সাথে নিয়ে রাজশাহীতে দেখতে যান এবং চিকিৎসার তদারকি করেন। সে সময় আমাকে বাঁচানোর জন্য ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ার বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রায় এক’শ ব্যাগ রক্ত দিয়েছিলেন। আমার শরীরে ৭/৮ ব্যাগ রক্ত ব্যবহার করা হয়েছিল এবং বাকি রক্ত বিভিন্ন গরীব মানষকে দেওয়া হয়েছিল। আমি সেই সিরাজুল ইসলাম সরদার যার শরীরে বিএনপির রক্ত এখনও বহমান কাজেই বিএনপির সাথে আমি বেঈমানী করতে পারিনা। শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সম্মান ও  শ্রদ্ধা রেখে এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের  নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আস্থা রেখে দলের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাকালিন একজন সদস্য হিসাবে আমি গর্বিত। ১৯৯১ সালে দল অর্থাৎ দেশনেত্রী দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া আমাকে সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করে যে বিচক্ষনতার পরিচয় দিয়েছিলেন সেজন্য তাঁর ও দলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দলের বিচক্ষণতা ও সঠিক  সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে আমি এই আসনটি দলের অর্ন্তভুক্ত’ করতে সক্ষম হয়েছিলাম।

দলের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে গৌরব অর্জনের যে সুযোগ সৃষ্টি করেছিল সেজন্য আমি দলের প্রতি  চিরকৃতজ্ঞ। শুধু তাই নই,পরবর্তীতে আমাকে যোগ্য বিবেচনায় দলীয় মনোনয়ন প্রদান করায় দলের প্রতি আনুগত্যও প্রদান করছি।শহীদ প্রেসিন্টে জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন আদর্শিক সৈনিক হিসেবে নিজেকে ভাবতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করি। যেহেতু দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তির পূর্ব পদ্ধতি না থাকার, দলীয় মনোময়ন প্রাপ্তির প্রত্যাশয় সরাসরি নির্বাচন কমিশনে প্রার্থীতার আবেদন করি। তেমনি দল আমাকে বিজ্ঞ বিবেচনায় মনোনিত করেন নাই।’ দল নিশ্চয় বিজ্ঞ বিবেচক।  দলের সিদ্ধান্ত আমার কাছে শীরধার্য্য। তাই আমি গত ১৯.০১.২০২৬ ইং তারিখ সোমবার আমার প্রার্থীতা প্রতদ্যাহার করে নিয়েছি। পরিশেষে তিনি ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ার বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সকল শ্রেণীপেশার মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।# তাং-২০.০১.২০২৬

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট