1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Ashraful Abedin : Ashraful Abedin
  3. [email protected] : masud :
মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সোমবার সারাদেশে সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছেন-ডেপুটি স্পীকার ঈশ্বরদী নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যের মানবেতর জীবনযাপন, দেখার কেউ নেই ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা তৈয়ব আলী আর নেই রেলের উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়ে কাজ করছে সরকার-রেল সচিব ঈশ্বরদীতে গৃহবধু মালা হত্যার বিচার ও আসামিদের ফাঁসির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদী কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশনের প্রীতি সম্মিলনে নতুন কমিটি গঠন আকরাম আলী খান সঞ্জু ফুটবল টুর্ণামেন্টে জাগ্রত সংঘ ৩-১ গোলে চ্যাম্পিয়ন জেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত টিসিবির জন্য কেনা হবে ১৬৫ লাখ লিটার সয়াবিন

ডিবির অভিযানে নকল প্রসাধনী জব্দ ও মালিকের জেল জরিমানা

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৯ জুন, ২০২২
  • ৯২ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার।। সৌদি আরব, আরব আমিরাত, তুরস্ক, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড সহ বিভিন্ন দেশের নামি দামী কোম্পানির নামের প্রসাধনী তৈরি করতো পাবনার লিয়ন কসমেটিক্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান। পাবনার শহরের অবৈধ এই প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালিয়েছে পাবনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

বুধবার (৮ জুন) দুপুরে পাবনা শহরের মেরিল বাইপাস রোডের গোলাপবাগ এলাকায় এই অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটি থেকে বিপুল পরিমাণ নকল বিদেশি প্রসাধনী জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে মালিককে জেল-জরিমানা করে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত মোঃ আসাদুজ্জামান মাসুম (৫৬) ঈশ্বরদীর কালিকাপুর মৃত ময়েজ উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে। তিনি দেশের সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান স্কয়ার গ্রুপের একজন কর্মচারী ছিলেন। চাকরি থেকে অবসর নিয়ে ২০১৮ সাল থেকে তিনি নিজ বাড়িতে গোপনে এই নকল প্রসাধনী তৈরির কারখানা স্থাপন করেন। এ ধরনের নকল কোম্পানী পাবনায় আরো আছে বলে অনেকে জানান।

ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতাউর রহমান খোন্দকার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে চালানো হয়। এ সময় বিভিন্ন ব্রান্ডের বিউটি ক্রিম, বডি লোশন, ওয়েল, হেয়ার টনিক, পারফিউম ও বডি স্প্রে সহ নানা প্রসাধনী জব্ধ করা হয়। এই সব প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহার করা হতো ক্ষতিকারক কেমিক্যাল ও কাঁচামাল।

এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. আসাদুজ্জামান মাসুমকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। সাজাপ্রাপ্ত আসাদুজ্জামানকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এ সময় মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক নকল প্রসাধনী ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে অংশ গ্রহণ করেন পাবনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল হাসনাত, ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খন্দকার, ডিবি পুলিশ পরিদর্শক জিন্নাত সরকার, উপ-পরিদর্শক মনোয়ারুল ইসলামসহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট