1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Ashraful Abedin : Ashraful Abedin
  3. [email protected] : masud :
শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা তৈয়ব আলী আর নেই রেলের উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়ে কাজ করছে সরকার-রেল সচিব ঈশ্বরদীতে গৃহবধু মালা হত্যার বিচার ও আসামিদের ফাঁসির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদী কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশনের প্রীতি সম্মিলনে নতুন কমিটি গঠন আকরাম আলী খান সঞ্জু ফুটবল টুর্ণামেন্টে জাগ্রত সংঘ ৩-১ গোলে চ্যাম্পিয়ন জেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত টিসিবির জন্য কেনা হবে ১৬৫ লাখ লিটার সয়াবিন ফুটবল তারকা রূপনা চাকমার জন্য ঘর নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের বলিষ্ঠ ভূমিকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দেশের কোথাও সারের সংকট নেই : খাদ্যমন্ত্রী

৮৭ বছরের বৃদ্ধা মাকেও বেধড়ক পিটিয়েছে হেফাজত কর্মীরা

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১
  • ৩৪১ বার দেখা হয়েছে
মুন্সিগন্জ সংবাদদাতা।। গত ২৯ শে মার্চ মুন্সিগন্জে পুলিশ হেফাজত সংঘর্ষ চলাকালে হেফাজত কর্মীরা আওয়ামীলীগ নেতার বাড়িতে ঢুকে ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে। পরে নেতার ভাই সহ ৮৭ বছরের বৃদ্ধা মাকেও বেধড়ক পিটিয়েছে হেফাজত কর্মীরা।
মুন্সিগন্জের রাজানগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম আলমগীর কবিরের মধুপুর গ্রামের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর ও অহ্নি সংযোগ করে হেফাজত কর্মীরা। পরে তার ৮৭ বছরের বৃদ্ধা মা নুর জাহান বেগম ও সেজো ভাই মুনসুর সাদীকে (৫৫) পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর আব্দুল হামীদ (মধুপুরী পীর) গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবরে রাজানগর ইউনিয়নের মধুপুর মাদ্রাসার হেফাজতের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ ও অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়।
রাজানগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এ.কে. এম আলমগীর কবিরের মধুপুর গ্রামের বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়ির ৫টি কক্ষের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় বাড়িতে ছিলেন আলমগীর কবিরের ৮৭ বছরের রত্মগর্ভা বৃদ্ধা মা নুর জাহান বেগম ও সেজো ভাই মুনসুর সাদী (৫৫)। দুজনকেই নির্মমভাবে পেটানো হয়। গুরুতর আহত নূরজাহান বেগমকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ও মুনসুর সাদীকে রাজধানীর ক্রিসেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায়, সেই রত্নগর্ভা মা নূরজাহান বেগম ৬ ছেলে ৩ মেয়ে সন্তানের মা। ছেলের মধ্যে একজন কোরআনে হাফেজ, একজন সাবেক মেজর জেনারেল, একজন যুক্তরাষ্টের বিশিষ্ট চিকিৎসক, একজন অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক মহাব্যবস্থাপক ও দুজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তাঁকে ১৯৯৫ সালে রাজানগর যুব সংঘের পক্ষ থেকে রত্নগর্ভা মা সম্মাননা প্রদান করা হয়।
আহত এই মা বলেছেন, ১৯৭১ সালের পাক হানাদার বাহিনীর হামলাকেও হার মানিয়েছে হেফাজতের লোকজন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট