1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Ashraful Abedin : Ashraful Abedin
  3. [email protected] : masud :
মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সোমবার সারাদেশে সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছেন-ডেপুটি স্পীকার ঈশ্বরদী নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যের মানবেতর জীবনযাপন, দেখার কেউ নেই ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা তৈয়ব আলী আর নেই রেলের উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়ে কাজ করছে সরকার-রেল সচিব ঈশ্বরদীতে গৃহবধু মালা হত্যার বিচার ও আসামিদের ফাঁসির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদী কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশনের প্রীতি সম্মিলনে নতুন কমিটি গঠন আকরাম আলী খান সঞ্জু ফুটবল টুর্ণামেন্টে জাগ্রত সংঘ ৩-১ গোলে চ্যাম্পিয়ন জেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত টিসিবির জন্য কেনা হবে ১৬৫ লাখ লিটার সয়াবিন

১৩০ কিলোমিটার গতি সম্পন্ন ৫ টি আমেরিকান ইঞ্জিন আসছে বাংলাদেশে

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩১২ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ গত কয়েক বছরে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে বাংলাদেশ রেলওয়েতে। প্রায় ৬ লাখ কোটি টাকা সম্ভাব্য ব্যয় ধরে ৩০ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনার আওতায় এসব মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নও শুরু হয়েছে। এই মহাপরিকল্পনার আওতায় দেশের রেলখাতকে আরো গতিশীল করতে যুক্তরাষ্ট্রের রেলওয়ে রোলিংস্টক নির্মাতা প্রগ্রেস রেল লোকোমোটিভ ইনকর্পোরেশনের কাছ থেকে ৪০টি দ্রুতগতির ইঞ্জিন কিনেছে বাংলাদেশ। এ কারণে দেশব্যাপী শুধু রেলের আধুনিকায়নের সাথে সাথে দেশেও চলবে দ্রুতগতি সম্পন্ন ট্রেন। এই দ্রুতগতি সম্পন্ন ইঞ্জিন কেনার জন্য গত বছরের ১৪ জানুয়ারি প্রগ্রেস রেলের সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ রেলওয়ে। প্রগ্রেস নামের এ কোম্পানি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে সবগুলো ইঞ্জিন বাংলাদেশে সরবরাহ করবে বলে চুক্তি সাক্ষর করা হয়। বাংলাদেশ সরকার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) যৌথ আর্থিক সহায়তায় প্রতিটি ইঞ্জিনের দাম নির্ধারণ করা হয় ২৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এ হিসেবে ৪০টি ইঞ্জিনের মোট দাম হয় ১ হাজার ১’শ২৩ কোটি টাকা বা ১’শ৩৫ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার। আগামী বছরের শুরু থেকেই বাংলাদেশে ইঞ্জিনগুলো সরবরাহ করতে শুরু করবে প্রগ্রেস রেল লোকোমোটিভ ইনকর্পোরেশন। জানা গেছে, প্রতিটি ইঞ্জিনের এক্সেল লোড ১৮ দশমিক মেঃ টন সম্পন্ন ৫টি ইঞ্জিন প্রথম ধাপেই সরবরাহ করবে প্রতিষ্ঠানটি। ৩ হাজার ২৫০ বিএইচপি হর্সপাওয়ারের এসব ইঞ্জিন প্রতি ঘণ্টায় ১’শ৩০ কিলোমিটার গতিতে চলাচলে সক্ষম হবে। ইতিমধ্যেই এসব দ্রুতগতি সম্পন্ন ব্রডগেজ ইঞ্জিন গুলো দেশে আনার জন্য প্রস্তুত করতে শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনসহ একটি প্রতিনিধি দল এসব ইঞ্জিন (লোকোমোটিভ) তৈরির কারখানাসহ ক্রয় প্রক্রিয়ায় থাকা ইঞ্জিনগুলোর সর্বশেষ অগ্রগতি ও সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। ইঞ্জিনগুলোর সর্বশেষ অগ্রগতি ও সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিনিধি দলের সকল সদস্যরা। প্রগ্রেস প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শনে যাওয়া প্রতিনিধি দলে রেলপথ মন্ত্রীর সাথে ছিলেন- বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক শামসুজ্জামান, এডিজি (অপারেশন) মিয়া জাহান ও মন্ত্রীর একান্ত সচিব আতিকুর রহমান।
বাংলাদেশ রেলওয়ের যুগোপযোগী উন্নয়ন এর দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেন উল্লেখ করে ইঞ্জিন আমদানী ও রেলওয়ের বিভিন্ন প্রকার উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রী এ্যাড. নূরুল ইসলাম সুজন সাংবাদিকদের জানান, মানুষকে রেলের মাধ্যমে কাঙ্খিত সেবা দেয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। ক্রয়করা এসব দ্রুতগতি সম্পন্ন ইঞ্জিন দেশের রেল বহরে যুক্ত হলে বিভিন্ন রুটে অধিক পরিমাণ ট্রেন চালানো সম্ভব হবে এবং ঐসব ট্রেন চলাচলের কারণে অনেক বেশি রাজস্ব আয় করা সম্ভব হবে। ইঞ্জিন সংকট ও নতুন করে ইঞ্জিন ক্রয়ের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে রেলপথ মন্ত্রী এ্যাড.নুরুল ইসলাম সুজন বলেন,
বাংলাদেশ রেলওয়েকে সাধারণ মানুষের আস্থার বাহন হিসেবে গড়ে তুলতে ইঞ্জিন বাড়ানোর জন্য গত দু’বছরে বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এ সব প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে রেলের ইঞ্জিন সংকটের সমাধানের পাশাপাশি আধুনিক যুগোপযোগী করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি। একই সাথে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে আরো বেশী অবদান রাখতে পারে, সেদিকেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা শরিফুল আলম জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ের উন্নয়নে বর্তমানে মোট ৪৮টি প্রকল্প রয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে ৪৩টি প্রকল্প রেললাইন স্থাপন, সংস্কার, নতুন লাইন স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই সংক্রান্ত। বাকি পাঁচ প্রকল্পে ইঞ্জিন কেনাসহ অন্যান্য উন্নয়নকাজ অন্তর্ভুক্ত। এর একটি হলো ৪০টি ব্রডগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক (ডিই) লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) ক্রয়।
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক শামসুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের জন্য সুবিধার বিষয় মাথায় রেখে রেলওয়ের উন্নয়ন নিয়ে বর্তমান সরকার দীর্ঘ মেয়াদি মহাপরিকল্পনা (মাস্টারপ্ল্যান) হাতে নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় অংশ ৪০টি ইঞ্জিন দেশে আসার পর রেলওয়ের কার্যক্রম আরো অনেকগুণ গতিশীল হবে বলে আশা করছি। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের মতে, একটি ইঞ্জিনের ইকোনমিক লাইফ বা কার্যক্ষমতা থাকে ২০ বছর। ১৯৭৩ সালে কার্যক্ষমতা চলে গেলেও বেশিরভাগ ইঞ্জিন চলছে ৪৬ বছর ধরে। কেবল বি-১২ মডেলের ইঞ্জিন নয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে বহরে মোট ২’শ৭৩টি ইঞ্জিনের মধ্যে ১’শ৯৫টি ইঞ্জিন এখন মেয়াদোত্তীর্ণ। মাত্র ৭৮টি ইঞ্জিনের মেয়াদ রয়েছে। মূলতঃ এ কারনেই চলন্ত অবস্থায় প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ছে ইঞ্জিনগুলো। এছাড়া ইঞ্জিন পুরনো হওয়ায় নির্ধারিত গতির চেয়ে অধিকাংশ ট্রেন চলছে কম গতিতে। ফলে ক্রমাগত সিডিউল বিপর্যয় ঘটায় যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যেকোনো মুহূর্তে মারাত্মক দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকার পরও বাধ্য হয়েই মেয়াদোত্তীর্ণ ইঞ্জিন দিয়ে ট্রেন চালানো হচ্ছে। পরিস্থিরি শিকার হয়ে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যেও ঐসব ইঞ্জিন দিয়ে ট্রেন চালাতে গিয়ে সব সময় ঝুঁকির মধ্যে থাকতে হয়।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট