1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : akter.panna.1 :
  3. [email protected] : Ashraful Abedin : Ashraful Abedin
  4. [email protected] : masud :
শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশের সার্বিক উন্নয়নয়ন,মুসলিম উম্মাহ্র শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনার মধ্য দিয়ে পাকশীস্থ ফুরফুরা শরীফে বিশেষ দোয়া অুনষ্ঠিত ।। বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী ও উপদেষ্টাসহ জামায়াতে জেলা আমিরের অংশ গ্রহণ নিজ স্বার্থ ও প্রতিহিংসা চরিতার্থ এবং হীন মানসিকতার নিমিত্তে দলীয় প্রার্থীকে পরাজিত করে পৈশাচিক  আনন্দ লাভের মানসিকতাকে ঘৃণা করি— বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার আঠারো বছর যিনি মাঠে ছিলেন না তিনিই  আজকে বড় বিএনপি সেজে ধানের শীষের রক্ষা কর্তা হয়েছেন —জাকারিয়া পিন্টু মানুষের উপযোগী বাংলাদেশ গড়তে তারেক রহমান উদ্যোগী হবেন —বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার রেলওয়ে পাকশী বিভাগের পারবর্তীপুর রেল স্টেশনে জনমুখি গণশুনাণী অনুষ্ঠিত মদিনা সনদের আলোকে পৃথিবীর রাষ্ট্র সমূহকে বিনির্মাণ করতে পারলে ইসলামী উম্মাহ প্রতিষ্ঠিত হবে ————-বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত যুব সমাজকে রক্ষায় খেলাধুলার বিকল্প নেই—রুপপুরে জাহিদুর রহমান পাতা আমাকে বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে ও সংস্পর্শে রেখে পরিপূর্ণ মানুষ ও এমপি বানানো হয়েছে— সাবেক এমপি সিরাজ সরদার ঈশ্বরদীতে  জাতীয় সমাজসেবা দিবস পালিত

যে গ্রামে চলে নারীদের রাজত্ব

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৩৭ বার দেখা হয়েছে

অবাক হওয়ার মতো ঘটনা হলেও এটি সত্যি। এই গ্রামে পুরুষের ঢোকা সম্পূর্ণ নিষেধ। তবে নারীরা গর্ভবতী হোন এবং প্রতি বছরই কেউ না কেউ সন্তান জন্ম দিচ্ছেন। কেনিয়ার শ্যামবুরু এলাকার উমোজা এক আশ্চর্য গ্রাম। যে আশ্চর্য গ্রামে ৩০ বছর হয়ে গেল, শুধু থাকেন মহিলারাই।

কোনো পুরুষের প্রবেশ এ গ্রামে নেই। কারণ নারীরাই নিজেরা ব্যবস্থা করে এই গ্রামে পুরুষ প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছেন। কিন্তু পুরুষ প্রবেশ না থাকা সত্ত্বেও নিজেদের মতন করে জীবনধারণ করছেন নারীরা। তারা প্রতিবছর কেউ-না-কেউ সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন। ফলে বংশবৃদ্ধিও হচ্ছে সাধারণ নিয়মে। সমাজ পরিবর্তিত হচ্ছে। কিন্তু এই অদ্ভুত গ্রাম আজও কেনিয়ার বিস্ময়।

ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৯০ সালে যখন, ১৫ জন স্থানীয় আদিবাসী মহিলাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ সেই নারীরা সমাজ বিচ্যুত হয়ে এই গ্রামে এসে বসতি গড়ে তোলেন। তারপর থেকে এখানে পুরুষদের হিংসার শিকার হওয়া বিভিন্ন নারীরা এসে একসঙ্গে বসবাস করতে শুরু করেন।

কেউ হয়তো ধর্ষণের শিকার, কেউ বাল্যবিবাহের শিকার, কেউ গার্হস্থ্য হিংসার শিকার, তারা সবাই হাতে হাত ধরে এক সমাজ গড়ে তুলেছেন। যে সমাজ শুধু নারীদের। যেখানে পুরুষদের কোনরকম প্রবেশাধিকার নেই।

বর্তমানে এই গ্রামে প্রায় আড়াইশো নারী বসবাস করেন। তাহলে এখানে প্রশ্ন ওঠে যে এই গ্রামের নারীরা কীভাবে সন্তানের জন্ম দেন? তার উত্তরেও আছে নারী স্বাধীনতার আসল প্রশ্নটি। নিজের সঙ্গীকে বেছে নেওয়ার প্রশ্ন। এই গ্রামের নারীরা গ্রাম থেকে বেরিয়ে নিজের পছন্দের পুরুষটিকে খুঁজে নেন এবং সেই পছন্দের পুরুষের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হন।

তারপর তারা গর্ভধারণ করেন এবং সন্তানের জন্ম দিয়ে থাকেন। এখানে কোনো সম্পর্ক, বিবাহ, সম্পর্কের আড়ষ্টতা নেই। কেবল সন্তান উৎপাদনের জন্য এবং যৌনসুখের জন্য এই গ্রামের নারীরা পুরুষ সঙ্গীকে বেছে নেন। এই গ্রামে প্রাইমারি স্কুল রয়েছে। সাংস্কৃতিক কেন্দ্র রয়েছে। এছাড়া এই গ্রামে দর্শনীয় স্থান রয়েছে একাধিক। সেগুলো দেখতে আসেন পর্যটকেরা।

সেই পর্যটকদের খরচের ওপর নির্ভর করেই এই গ্রামের বেশিরভাগ মানুষের জীবিকা নির্বাহ হয়। পর্যটকরা যে টিকিট কেটে এই গ্রামে ঢোকেন এবং গ্রামের বিভিন্ন অংশ পর্যবেক্ষণ করেন, দেখেন, ইতিহাস জানেন, সেই পর্যটকদের কাটা টিকিটের দাম থেকেই এই গ্রামের মানুষের হাতে অর্থ আসে।

কিন্তু এ যেন এক পুরুষতান্ত্রিক সমাজের কাছে নারীবাদের আদর্শ উদাহরণ। পুরুষ রহিত এক সমাজ গড়ে তুলতে পেরেছেন নারীরা যেখানে কেবল আছেন নারী। তাদের কামনা বাসনা ইচ্ছা সেটি একমাত্র প্রাধান্যের বিষয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট