1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Ashraful Abedin : Ashraful Abedin
  3. [email protected] : masud :
রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঈশ্বরদীতে পৌর কাউন্সিলর কামাল হোসেনের মুক্তির দাবিতে সভা অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীর বাঘইল স্কুল এন্ড কলেজে পুণঃমিলনী সভা অনুষ্ঠিত বাঘইল স্কুল এন্ড কলেজের ৭৫ তম বছর পূর্তি অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীতে নিষিদ্ধ ট্রাপেন্ডাডল ট্যাবলেটসহ এক নেতা গ্রেফতার প্রবাস জীবন শেষে হতাশাগ্রস্ত রায়হান মাছ ও ফলনশীল গাছের চাষ করে কোটিপতি ঈশ্বরদী থেকে সাত ভাই একসাথে পবিত্র ওমরাহ হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি যাত্রা ঈশ্বরদী আইকে রোডে অত্যাধুনিক “গ্রীণসীটি সি ফুড স্টেশন”এর উদ্বোধন ঈশ্বরদীতে নিঁখোজের ছয়দিন পর বিএনপি নেতার পুকুর থেকে সুমনের লাশ উদ্ধার মেজর ইমরুল আলম (অব:) এর পক্ষ থেকে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ পাকশীতে নিরাপত্তাবাহিনী থেকে ৩৬ বছর পর আবু হেনার বিদায়

“যারা ভাস্কর্য ভেঙ্গেছে তাদের রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আনা যাই কিনা”-ব্যারিষ্টার সুমন

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪০৬ বার দেখা হয়েছে
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত এবং ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন  সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা।
রবিবার(৬ই ডিসেম্বর) কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক মোঃ মমতাজ উদ্দীন আহমেদ মেহেদি, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বি এম আবদুর রহমান রাফেল, এ কে এম তোহিদুর রহমান, জগলুল কবির, মাহফুজুর রহমান লিখনসহ আরো অনেক আইনজীবি।
 ব্যারিষ্টার সুমন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “একাত্তর সালে যারা বলেছেন, যারা পাকিস্তানের বিরোধীতা করবে তারা আর মুসলমান থাকবে না। যারা এসব কথা বলেছেন তারা এসব কথা বলে তো আর পাকিস্তান আটকাতে পারেন নাই। এদের অনুসারিরাই আজকে বলে এটা মূর্তি এটা প্রতিমা। এটা এই স্বাধীনতার স্বপক্ষের সরকারের বিরোধিতা করার জন্যই ইসলাম প্রতিষ্ঠা এদের কোনো উদ্দেশ্যে না। এদের উদ্দেশ্যে হচ্ছে প্রকৃত অর্থে এ সরকারের পতন ঘটনো।
পাকিস্তান সৌদি আরব ইরানে কিংবা তুরস্কে যখন ভাস্কর্য তৈরী হয় তখন তারা বলে এসব পবিত্র। একমাত্র বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য হওয়ার পর আমাদের স্বাধীনতার স্ব-পক্ষের শক্তি তথা বাঙালিদের অনুভূতিতে আঘাত করছে এই অপশক্তি। পৃথিবীর কোনো জায়গা পাবেন না যে, অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া হয়। আমাদের মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কখনো ধর্ম প্রচার করতে গিয়ে কারো অনুভূতিতে আঘাত করেননি। আমার কাছে মনে হচ্ছে, যারা মূর্তি এবং ভাস্কর্যের বিতর্ক শুরু করেছে এদের ওপর রাজাকার আল-বদর আল-শামস দের প্রেতাত্মারা ভর করেছে। আমি সরকারের কাছে দাবি জানাবো যারা জাতীর পিতার ভাস্কর্য ভাঙচুর করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি তো দিতেই হবে। আপনারা যাচাই করে দেখেন যারা ভাস্কর্য ভেঙেছে তাদের রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আনা যায় কি না এটা সিনিয়ররা ভাববেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট