1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Ashraful Abedin : Ashraful Abedin
  3. [email protected] : masud :
মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সোমবার সারাদেশে সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছেন-ডেপুটি স্পীকার ঈশ্বরদী নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যের মানবেতর জীবনযাপন, দেখার কেউ নেই ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা তৈয়ব আলী আর নেই রেলের উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়ে কাজ করছে সরকার-রেল সচিব ঈশ্বরদীতে গৃহবধু মালা হত্যার বিচার ও আসামিদের ফাঁসির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদী কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশনের প্রীতি সম্মিলনে নতুন কমিটি গঠন আকরাম আলী খান সঞ্জু ফুটবল টুর্ণামেন্টে জাগ্রত সংঘ ৩-১ গোলে চ্যাম্পিয়ন জেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত টিসিবির জন্য কেনা হবে ১৬৫ লাখ লিটার সয়াবিন

কোভিড-১৯ আক্রান্ত বা এর উপসর্গ দেখা দিলে কি আমার শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানো উচিত?

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১
  • ৪১৬ বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেক্স।। আপনি যদি একজন মা হয়ে থাকেন বা মা হওয়ার অপেক্ষায় থাকেন, তাহলে এই করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারীর মধ্যে আপনার সন্তানের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ কী, সেই প্রশ্নটা মনে আসা স্বাভাবিক।

শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর স্বপক্ষে বহু প্রমাণ রয়েছে। শারীরিক সংস্পর্শ এবং শুরুতেই ও পুরো মাত্রায় বুকের দুধ খাওয়ানো আপনার শিশুর বিকাশে সহায়তা করবে। এই মহামারীর মধ্যে তা বন্ধ করার কোনো কারণ নেই। এখন পর্যন্ত মায়ের দুধ এবং তা খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে কোভিড-১৯ যা সংক্রমণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

খুব অল্প সময়ের মধ্যে যদি আপনার সন্তান হওয়ার কথা থাকে, তাহলে আপনাকে নিরাপদে শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানো, তাকে ত্বকের সংস্পর্শে নেওয়া এবং শিশুকে নিয়ে এক কক্ষে থাকতে সহায়তা করা উচিত।

আপনার নিজের ও সন্তানকে নিরাপদ রাখতে সহায়তার জন্য নতুন মা ও হবু মায়েদের কাছ থেকে আসা কিছু সাধারণ প্রশ্ন এখানে তুলে ধরা হল। আপনি সুস্থ বোধ করেন বা কোভিড-১৯ এর লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দিক – যে কোনো পরিস্থিতির জন্য এগুলো জেনে নেয়া গুরুত্বপূর্ণ।

মহামারীর সময় কি মায়ের দুধ খাওয়ানো উচিত?
নিঃসন্দেহে। মায়ের দুধে অ্যান্টিবডি থাকে যা শিশুর শারীরিক বিকাশ ত্বরাণ্বিত করে এবং তাকে অনেক ধরনের রোগ সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়। কোনো শিশু কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলে মায়ের দুধে থাকা অ্যান্টিবডি এবং ল্যাক্টোফেরিন, ল্যাকটাডহেরিন, এপিডারমাল গ্রোথ ফ্যাক্টর ও এরিথ্রোপোইটিনের মতো বায়ো-অ্যাকটিভ ফ্যাক্টরগুলো এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে সহায়তা করে।

আপনার শিশুর বয়স ৬ মাস বা তার কম হলে তাকে শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানো উচিত। সন্তানের বয়স ৬ মাসের বেশি হলে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর সম্পূরক খাবারের সঙ্গে মায়ের দুধ দেওয়া চালিয়ে যেতে হবে।

মায়েরর দুধ খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে আপনার থেকে সন্তানের দেহে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ঘটতে পারে?
এখন পর্যন্ত মায়ের দুধ এবং তা খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে কোভিড-১৯ সংক্রমণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে গবেষকরা এখনও বুকের দুধ নিয়ে কাজ করছেন।

আপনার নবজাতকের সঙ্গে শারীরিক সংস্পর্শ বজায় রাখুন। আপনার নবজাতককে কাছে রাখুন যাতে দ্রুতই মায়ের দুধ খাওয়ানো শুরু করা যায়, যা নবজাতকের মৃত্যু হারও কমিয়ে দেয়। সন্তান জন্মের প্রথম ঘণ্টার মধ্যেই ভূমিষ্ঠ শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

কোভিড-১৯ আক্রান্ত বা এর উপসর্গ দেখা দিলে কি আমার শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানো উচিত?
হ্যাঁ। যথাযথ পূর্ব সতর্কতা অবলম্বন করে মায়ের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে। সতর্কতা হিসেবে সম্ভব হলে মাস্ক পরতে হবে, শিশুকে ধরার আগে ও পরে সাবান পানি দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে বা অ্যালকোহল মিশ্রিত হ্যান্ড রাব দিয়ে হাত পরিষ্কার করে নিতে হবে। আপনার ব্যবহৃত এবং হাত দিয়ে ধরা সব কিছু নিয়মিত পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে। আপনার বুক ধুয়ে নিতে হবে শুধু তখনই যদি আপনার বুকে কফ বা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে নির্গত অতি ক্ষুদ্র জলকনা (ড্রপলেটস) পড়ে। অন্যথায়, প্রতিবার শিশুকে মায়ের দুধ দেওয়ার আগে আপনার বুক ধুয়ে নেওয়ার দরকার নেই।

মায়ের দুধ খাওয়ানোর মতো সুস্থতা বোধ না করলে আমার কী করা উচিত?
যদি আপনি শিশুকে স্তনদানের মতো সুস্থতা বোধ না করেন তাহলে তাকে নিরাপদে মায়ের দুধ সরবরাহের জন্য বিকল্প উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। টেনে মায়ের দুধ বের করে তা একটি পরিষ্কার কাপ বা চামচের মাধ্যমে আপনার সন্তানকে খাওয়ান। আপনার এলাকায় শিশুকে মায়ের দুধ দান মতো কেউ থাকলে তার সহায়তা নেওয়ার কথাও ভাবতে পারেন। আপনার সামনে কী কী সুযোগ আছে সেগুলো নিয়ে ব্রেস্টফিডিং পরামর্শক বা স্বাস্থ্যকর্মীর সঙ্গে কথা বলুন।

মায়ের দুধ উৎপাদন ঠিক রাখার জন্যও টেনে দুধ বের করাটা (এক্সপ্রেসিং ব্রেস্টমিল্ক) গুরুত্বপূর্ণ যাতে আপনি সুস্থ হওয়ার পরেও আপনার সন্তানকে দুধ খাওয়াতে পারবেন। কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিশ্চিত হলে বা সন্দেহ দেখা দেওয়ার পর শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোয় বিরতির সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই।

নিজের বুকের দুধ টেনে দেওয়া বা অন্য কোনো মায়ের দুধ পাওয়া না গেলে কেবল তখনই ওয়েট নার্সিং (শিশুকে স্তনদান ও লালন-পালনের জন্য কাউকে নিয়োগ করা) অথবা নবজাতকদের জন্য তৈরি ফর্মুলা মিল্ক দেওয়ার কথা ভাবা যেতে পারে। তবে ফর্মুলা মিল্ক সঠিকভাবে প্রস্তুত ও নিরাপদ হতে হবে।

সন্তান অসুস্থ হলে কি মায়ের দুধ দেওয়া উচিত?
শিশু অসুস্থ হলেও তাকে মায়ের দুধ দেওয়া চালিয়ে যেতে হবে। আপনার ছোট্ট সোনামনি কোভিড-১৯ বা অন্য কোনো রোগে আক্রান্ত হলেও তাকে মায়ের দুধ খাওয়ানোটা গুরুত্বপূর্ণ। বুকের দুধ আপনার শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং আপনার দেহের অ্যান্টিবডি মায়ের দুধের মধ্য দিয়ে তার দেহে যাবে, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে তাকে সহায়তা করবে।

মায়ের দুধ খাওয়ানোর সময় আমার কী কী পূর্ব সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত?
নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথভাবে হাত ধুয়ে নিতে হবে। সন্তানকে ধরার আগে ও পরে সাবান ও পানি দিয়ে আপনার হাত দুটো ধুতে হবে। হাত পরিষ্কার-জীবাণুমুক্ত করতে আপনি অ্যালকোহল মিশ্রিত হ্যান্ড রাবও ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যেসব জায়গা বা জিনিসপত্র স্পর্শ করবেন, সেগুলোও পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ।

ব্রেস্টমিল্ক পাম্প, দুধ রাখার পাত্র এবং শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সরঞ্জামগুলো প্রতিবার ব্যবহারের পর পরিষ্কার করতে হবে। সূত্রঃ ইউনিসেফ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট