1. admin@sadhinotarkontho.com : admin :
  2. akter.panna.1@gmail.com : akter.panna.1 :
  3. mdashrafishurdi@gmail.com : Ashraful Abedin : Ashraful Abedin
  4. masud@sadhinotarkontho.com : masud :
রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া প্রি-ক্যাডেট স্কুলে মুক্তিযুদ্ধ কর্ণারের উদ্বোধন ঈশ্বরদীতে উপজেলা চেয়ারম্যান পদের দুই প্রার্থীর নির্বাচন জমে উঠেছে সন্ত্রাস মুক্ত স্মার্ট ও ডিজিটাল ঈশ্বরদী গড়ার লক্ষ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীর পথসভা অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক ঈশ্বরদী’র ২২ বর্ষপূতি: উৎসব শোভাযাত্রা সূধী সমাবেশ সঙ্গীত সন্ধ্যা ঈশ্বরদী পৌর এলাকায় আনারস প্রতিকের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াজের প্রার্থিতা বাতিল ব্রিটিশ প্রকৌশলী রবার্ট উইলিয়াম গেলসের সুরম্য দ্বিতল বিশিষ্ট বাংলো এবং ব্রিটিশ প্রকৌশলীর স্মৃতিস্থান এখনও দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে ঈশ্বরদীতে ২৯৫ বোতল ফেনসিডিল ও নগদ টাকাসহ রেল নিরাপত্তা বাহিনীর সিপাহী আটক ঈশ্বরদীতে অনারস প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীতে চলতি বোরো মওসুমের ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন

কিংবদন্তি গণ সংগীত শিল্পী ফকির আলমগীরের ইন্তেকাল

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১
  • ৮৯৭ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার।। কিংবদন্তি গণ সংগীত শিল্পী ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক ফকির আলমগীর ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (২৩ জুলাই) রাত ১০ টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্হায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। ফকির আলমগীরের ছোট ভাই ফকির সিরাজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ১৪ জুলাই ফকির আলমগীরের দেহে করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। ১৫ জুলাই তার জ্বর ও শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। তখন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ১৮ জুলাই থেকে তিনি গুরুতর অবস্হায় ভেন্টিলেশনে ছিলেন।

শুক্রবার রাতে তার স্টোক হয়। এর কিছুক্ষণ পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি ১৯৫০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার কালামৃধা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মো. হাচেন উদ্দিন ফকির ও মা বেগম হাবিবুন্নেছা। তিনি কালামৃধা গোবিন্দ হাইস্কুল থেকে ১৯৬৬ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় এমএ পাস করেন।

তিনি ১৯৬৬ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী ও গণশিল্পীগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ষাটের দশকে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে এবং ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে গণসংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে এক বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।

একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে একজন শব্দসৈনিক হিসেবে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে যোগ দেন। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনে নিয়মিত সংগীত পরিবেশন করেন।

১৯৭৬ সালে গঠন করেন ঋষিজ শিল্পগোষ্ঠী। এই গোষ্ঠীর মাধ্যমে গণসংগীতকে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেন।

তিনি গানের পাশাপাশি একজন সফল লেখকও। তার প্রকাশিত গ্রন্থগুলো চেনা চীন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান, গণসংগীতের অতীত ও বর্তমান, গণসংগীত ও মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুরা, আমার কথা, পপসংগীতের একাল সেকাল।

ফকির আলমগীর সংগীতে অবদানের জন্য একুশে পদক, শেরে বাংলা পদক, ভাসানী পদক, সিকোয়েন্স অ্যাওয়ার্ড অব অনার, তর্কবাগীশ স্বর্ণপদক, জসীমউদ্দীন স্বর্ণপদক, ক্রান্তিপদক, গণনাট্যপদক, গণস্বাস্থ্য মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা, জনসংযোগ সমিতি পুরস্কার, ভারতীয় গণনাট্য সংঘ পুরস্কার, ত্রিপুরা সংস্কৃতি সমন্বয় পুরস্কার, বাংলা একাডেমির সম্মানজনক ফেলোশিপসহ অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন।

এছাড়াও তিনি বাংলা একাডেমি আজীবন সদস্য, গণসংগীত সমন্বয় পরিষদের সভাপতি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি, জনসংযোগ সমিতির সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র পরিষদের সদস্য, অফিসারস ক্লাবের সদস্য।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট