1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Ashraful Abedin : Ashraful Abedin
  3. [email protected] : masud :
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন ঈশ্বরদীতে পৌর কাউন্সিলর কামাল হোসেনের মুক্তির দাবিতে সভা অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীর বাঘইল স্কুল এন্ড কলেজে পুণঃমিলনী সভা অনুষ্ঠিত বাঘইল স্কুল এন্ড কলেজের ৭৫ তম বছর পূর্তি অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীতে নিষিদ্ধ ট্রাপেন্ডাডল ট্যাবলেটসহ এক নেতা গ্রেফতার প্রবাস জীবন শেষে হতাশাগ্রস্ত রায়হান মাছ ও ফলনশীল গাছের চাষ করে কোটিপতি ঈশ্বরদী থেকে সাত ভাই একসাথে পবিত্র ওমরাহ হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি যাত্রা ঈশ্বরদী আইকে রোডে অত্যাধুনিক “গ্রীণসীটি সি ফুড স্টেশন”এর উদ্বোধন ঈশ্বরদীতে নিঁখোজের ছয়দিন পর বিএনপি নেতার পুকুর থেকে সুমনের লাশ উদ্ধার মেজর ইমরুল আলম (অব:) এর পক্ষ থেকে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

কিংবদন্তি গণ সংগীত শিল্পী ফকির আলমগীরের ইন্তেকাল

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১
  • ৫৫২ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার।। কিংবদন্তি গণ সংগীত শিল্পী ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক ফকির আলমগীর ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (২৩ জুলাই) রাত ১০ টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্হায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। ফকির আলমগীরের ছোট ভাই ফকির সিরাজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ১৪ জুলাই ফকির আলমগীরের দেহে করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। ১৫ জুলাই তার জ্বর ও শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। তখন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ১৮ জুলাই থেকে তিনি গুরুতর অবস্হায় ভেন্টিলেশনে ছিলেন।

শুক্রবার রাতে তার স্টোক হয়। এর কিছুক্ষণ পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি ১৯৫০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার কালামৃধা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মো. হাচেন উদ্দিন ফকির ও মা বেগম হাবিবুন্নেছা। তিনি কালামৃধা গোবিন্দ হাইস্কুল থেকে ১৯৬৬ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় এমএ পাস করেন।

তিনি ১৯৬৬ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী ও গণশিল্পীগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ষাটের দশকে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে এবং ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে গণসংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে এক বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।

একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে একজন শব্দসৈনিক হিসেবে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে যোগ দেন। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনে নিয়মিত সংগীত পরিবেশন করেন।

১৯৭৬ সালে গঠন করেন ঋষিজ শিল্পগোষ্ঠী। এই গোষ্ঠীর মাধ্যমে গণসংগীতকে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেন।

তিনি গানের পাশাপাশি একজন সফল লেখকও। তার প্রকাশিত গ্রন্থগুলো চেনা চীন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান, গণসংগীতের অতীত ও বর্তমান, গণসংগীত ও মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুরা, আমার কথা, পপসংগীতের একাল সেকাল।

ফকির আলমগীর সংগীতে অবদানের জন্য একুশে পদক, শেরে বাংলা পদক, ভাসানী পদক, সিকোয়েন্স অ্যাওয়ার্ড অব অনার, তর্কবাগীশ স্বর্ণপদক, জসীমউদ্দীন স্বর্ণপদক, ক্রান্তিপদক, গণনাট্যপদক, গণস্বাস্থ্য মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা, জনসংযোগ সমিতি পুরস্কার, ভারতীয় গণনাট্য সংঘ পুরস্কার, ত্রিপুরা সংস্কৃতি সমন্বয় পুরস্কার, বাংলা একাডেমির সম্মানজনক ফেলোশিপসহ অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন।

এছাড়াও তিনি বাংলা একাডেমি আজীবন সদস্য, গণসংগীত সমন্বয় পরিষদের সভাপতি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি, জনসংযোগ সমিতির সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র পরিষদের সদস্য, অফিসারস ক্লাবের সদস্য।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট