1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : adminartigas :
  3. [email protected] : akter.panna.1 :
  4. [email protected] : Ashraful Abedin : Ashraful Abedin
  5. [email protected] : masud :
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সকল ধর্মবর্ণের মানুষকে অধিকতর সমৃক্ত করণের মাধ্যমে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা ও ভৌগলিক জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় কাঠামো বিনির্মাণ করা হলে মানুষের মূল্যায়নের কথা বলেছেন– –বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদার পাকশী ডেইরী ফার্মে দেশী,জার্সি ফিজিয়ানসহ কয়েকটি জাতের গরু পালন করে এলাকায় ব্যাপক সারা জাগিয়েছেন আবু রায়হান ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে থাকা মাদক ও মোবাইলে আসক্ত যুব সমাজকে রক্ষায় খেলাধুলার বিকল্প নেই—–জাতীয় সাংবাদিক সোসাইটির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সচিব তৌহিদ আক্তার পান্না মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের পরিচয় হলো দেশ গড়ার মূল কারিগরদের উত্তরসূরি—- ঈশ্বরদী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি টিএ পান্না বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পাবনায় বিশ্বহিমোফিলিয়া দিবস পালিত বর্তমান সরকারের প্রধান,মন্ত্রীসহ বিএনপি সরকার ও দেশবাসীর সফলতা কামনা করেন সিরাজুল ইসলাম সরদার ।। ঈশ্বরদী ও পাকশীতে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা ।। আসামি গ্রেফতার ও শাস্তি দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ঈশ্বরদীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, অগ্নিসংযোগ ,ভাংচুর,আহত-১0 ও আটক ১৬,২ প্লাটুন রিজার্ভ ফোর্স মোতায়েন প্রতিবন্ধি  কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে রমজানের ত্রাণ বিতরণ নিজে ভাল মানুষ হতে পারলেই অসহায় দুঃস্থ মানুষের পাশে সাহায্যের হাত বাড়ানো সম্ভব–জেএসএস এর কেন্দ্রিয় নির্বাহী পরিষদের সাংগঠনিক সচিব

আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি করেছে-প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২
  • ৯৩০ বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক।। আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আধুনিক প্রযুক্তির মিশেলে নানান প্রকল্প ও উন্নয়ন কাজের চিন্তা একমাত্র আওয়ামী লীগই করতে পারে।শনিবার সকালে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের দক্ষিণ টিউবের পূর্ত কাজ সম্পন্নের উদযাপন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।নদীর তলদেশে প্রথমবারের মতো টানেল স্থাপনকে বাংলাদেশের জন্য বিস্ময় বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, আমাদের অঞ্চলে এমন টানেল একটি বিস্ময়। এর ফলে দেশের ভাবমূর্তি আরও উঁচু হবে। অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।বক্তব্যে তিনি পদ্মা সেতুসহ দেশের নানান সড়ক ও যোগাযোগ প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। চট্টগ্রামের উন্নয়নে আমরা ব্যাপক প্রকল্প নিয়েছি। চট্টগ্রাম অবহেলিত ছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর চট্টগ্রামকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কাজ শুরু করে।চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় এই টানেল নির্মাণ হওয়ায় দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, নৌবাহিনী, স্থানীয় জনগণকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, বাংলাদেশকে বদলে দেওয়া। দরিদ্রের হার কমেছে। এদেশে আর দরিদ্র থাকবে না। আমরা দারিদ্র্য দূর করতে সক্ষম হয়েছি। খাবারের জন্য হাহাকার থাকবে না। আমরা নিজেদের সম্পদ ব্যবহার করার সক্ষমতা রাখি। নিজেদের খাদ্য নিজেরা উৎপাদন করব। কারও কাছে হাত পাতব না। মিতব্যয়ী হতে হবে। একদিকে করোনা, আরেকদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। মুদ্রাস্ফীতি বিশ্বব্যাপী। আমরা আমাদের অর্থনীতি গতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছি।‘আমাদের কৃষি জমি রক্ষা করতে হবে। সবাইকে মাথায় রাখতে হবে, যার যেখানে জায়গা আছে, উৎপাদন করার মানসিকতা থাকবে হবে। তাহলে মন্দা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারব’—যোগ করেন শেখ হাসিনা। দেশের ব্যাপক উন্নয়ন হলেও এসব উন্নয়ন যাদের চোখে পড়ে না তাদের একহাত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমাদের উন্নয়ন অনেকের চোখে পড়ে না। আমরা আই ইনস্টিটিউট করে দিয়েছি। তারা সেখানে চোখ দেখাতে পারে। চোখ থাকতেও অন্ধ। তারা কখনো মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারবে না। এতিমের টাকা লুট করতে পারবে।চীনের সাংহাই শহরের আদলে তৈরি হবে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। হাজার কিলোমিটার দূরের সেই শহরের মতো চট্টগ্রামেও নগর থাকবে একটি। কিন্তু নদীর দু’তীরে থাকবে দুটি টাউন। এই মর্ম কথা বুকে নিয়ে টানেলের স্লোগান হলো- ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’। এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে মূল টানেলের সঙ্গে পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক থাকছে। আর আনোয়ারা প্রান্তে রয়েছে ৭২৭ মিটার দীর্ঘ উড়াল সড়ক। নদীর তলদেশ দিয়ে ১৮ থেকে ৩৬ মিটার গভীরতায় সুড়ঙ্গ তৈরি করা হয়েছে। নদীর মাঝ পয়েন্টে এই গভীরতা প্রায় ১৫০ ফুট। প্রতিটি ৩৫ ফুট প্রশস্ত ও ১৬ ফুট উচ্চতার।মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। এর মধ্যে টানেলের প্রতিটি সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার। দুই সুড়ঙ্গে দুটি করে মোট চারটি লেন থাকবে। মূল টানেলের সঙ্গে পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক থাকবে। যার ৯৯ শতাংশের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পে বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছে ৪ হাজার ৪৬১ কোটি ২৩ লাখ টাকা। বাকি টাকা ঋণ দিচ্ছে চীনের এক্সিম ব্যাংক।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট