1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Ashraful Abedin : Ashraful Abedin
  3. [email protected] : masud :
সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সোমবার সারাদেশে সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছেন-ডেপুটি স্পীকার ঈশ্বরদী নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যের মানবেতর জীবনযাপন, দেখার কেউ নেই ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা তৈয়ব আলী আর নেই রেলের উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়ে কাজ করছে সরকার-রেল সচিব ঈশ্বরদীতে গৃহবধু মালা হত্যার বিচার ও আসামিদের ফাঁসির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদী কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশনের প্রীতি সম্মিলনে নতুন কমিটি গঠন আকরাম আলী খান সঞ্জু ফুটবল টুর্ণামেন্টে জাগ্রত সংঘ ৩-১ গোলে চ্যাম্পিয়ন জেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত টিসিবির জন্য কেনা হবে ১৬৫ লাখ লিটার সয়াবিন

“স্বাধিনতা পুরুস্কার ২০২২” পাওয়ায় অধ্যাপক ডাঃ কামরুল ইসলামকে সম্মর্ধনা

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০২২
  • ১৪০ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার।। ঈশ্বরদীর কৃতি সন্তান অধ্যাপক ডাঃ কামরুল ইসলাম “স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২” পাওয়ায় তাঁকে সম্মর্ধনা দেওয়া হয়।

আজ বুধবার (৩০ মার্চ) ঈশ্বরদী ইক্ষু গবেষনা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে কিডনি চিকিৎসা সেবায় “স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২” পাওয়ায় অধ্যাপক ডাঃ কামরুল ইসলামকে  ঈশ্বরদী বাসীর পক্ষ থেকে গণ সম্মর্ধনা প্রদান করা হয়।এ সময় বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ও পেশাজিবী সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পি এম ইমরুল কায়েসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডাঃ কামরুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নায়েব আলী বিশ্বাস, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড, কুয়াশা মাহামুদ এবং ডাঃ কামরুল ইসলামের রত্নগর্ভা মাতা অধ্যাপিকা রহিমা খাতুন সহ আরো অনেকে।

অধ্যাপক ডাঃ কামরুল ইসলামের পিতা আমিনুল ইসলাম ঈশ্বরদী ইক্ষু গবেষনা ইনস্টিটিউটেরর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্কিযুদ্ধে তিনি শহীদ হন। তাঁর নাম অনুসারেই ঈশ্বরদী পৌর এলাকার শহীদ আমিন পাড়ার নামকরণ করা হয়। তাঁর মাতা অধ্যাপিকা রহিমা খাতুন তিনি লালমাটিয়া কলেজের শিক্ষিকা ছিলেন।

মাতা ও ছেলে দুজনই তাঁদের বক্তব্যে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তখন সবাই পিন পতন নিরবতার মধ্য দিয়ে তাদের বক্তব্য শুনেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট